,

শিরোনাম :
লক্ষ্মীপুর ব্যবসায়ীর উপর হামলার অভিযোগ অনুমতিহীন কোরবানি হাটে অবৈধভাবে আদায় হচ্ছে লাখ-লাখ টাকা! লক্ষ্মীপুরে গরু-মহিষ চোরদের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করায় হত্যার উদ্দেশ্যে এসে হামলা, লুটপাট লক্ষ্মীপুর সদর উপজেলা নির্বাচনে প্রার্থীদের মাঝে প্রতীক বরাদ্দ লক্ষ্মীপুরে দোকান ঘর বিক্রির নামে প্রতারনা লক্ষ্মীপুরে তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে হামলায় আহত-৪ লক্ষ্মীপুর টেলিভিশন সাংবাদিক ফোরামের আহ্বায়ক মনির, সদস্য সচিব আনিস কবির চেয়ারম্যান প্রার্থী হিসেবে অধ্যক্ষ মামুন জনপ্রিয়তার শীর্ষে রায়পুরে যৌতুকের দাবীতে স্ত্রীর উপর নির্যাতন বালু বাহী ড্রাম ট্রাকের চাপায় মটরসাইকেল আরোহী আহত, চালক আটক

লক্ষ্মীপুরে দোকান ঘর বিক্রির নামে প্রতারনা

নিজস্ব প্রতিনিধি: লক্ষ্মীপুর দাসের হাট বাজারে দোকান ঘর বিক্রির নামে বিভিন্নজন থেকে প্রায়ই অধ্য কোটি টাকা হাতিয়ে নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে সুমি বেগমের বিরুদ্ধে। তার অভিনব প্রতারনায় অতিষ্ঠ প্রবাসীসহ স্থানীয় কয়েকটি পরিবার। তার টাকা হাতিয়ে নেওয়ার এই কৌশলে অনেকে ধরাসায়ী।

ভুক্তভোগীরা তার প্রতারনা বুঝতে পেরে টাকা ফেরত চাইলে সে নানা টালবাহানা করে। ইতিমধ্যে ভুক্তভুগী এক প্রবাসী প্রতারনার স্বীকার হয়ে সুমি বেগমের স্বামীর ৩টি দোকান ঘর দখল নিতে বাধ্য হয়। এনিয়ে দু’পক্ষের মধ্যে বাকবিতন্ডিতা ও মামলা হামলার ঘটনা ঘটে। সদর উপজেলা দাসের হাট বাজারে এধরনের ঘটনা ঘটে। প্রতারক সুমি বেগমের স্বামী প্রবাসে থাকে। সে পূর্ব সৈয়দপুর আমজাদ মিয়াজী বাড়ি প্রবাসী আবদুল বাকীর স্ত্রী। ভুক্তভুগী প্রবাসী রহিম ও অন্যান্যরা একই বাড়ির ও এলাকার।

ভুক্তভুগী প্রবাসী রহিমের ভাই রহমান জানায়, প্রায় ১ বছর আগে বাকীর নগদ টাকার প্রয়োজন হওয়ায় সে বাজারের সাড়ে ৩ শতক জমিসহ (৩টি ঘর) বিক্রি করার প্রস্তাব করে। এতে আমার ভাই প্রবাসী রহিম কেনার আগ্রহ দেখায় এবং তাদের মধ্যে কথাবার্তা চূড়ান্ত হয়। যেহেতু তারা আমাদের আত্মীয় এবং একই বাড়ির তাই কোন কাগজপত্র ছাড়াই বাকীর স্ত্রী সুমিকে টাকা দেই। ঐ সময় বাকীর যখনই টাকার প্রয়োজন হত তখন বাকীর কথামত তার স্ত্রী সুমির নিকট টাকা দিয়ে আসতাম। এই সুযোগে বাকীর স্ত্রী সুমি নানা অজুহাতে টাকা নেয়। আমরাও সরল মনে তার স্বাক্ষর নিয়ে টাকা দেই। এরই মধ্যে ৪৩ লাখ টাকা নিয়ে যায় সুমি বেগম।

এরপর আমি প্রবাসী বাকীরকে দেশে এসে জমিসহ দোকান ঘর রেজিষ্ট্রি দেয়ার জন্য চাপ প্রয়োগ করি। তারই পরিপ্রেক্ষিতে তার স্ত্রী সুমি কোর্ট এফিডেভিটের মাধ্যমে বাকীর পক্ষ হয়ে বায়না চুক্তি দেয়।

পরে বিভিন্ন লোকজনের কাছে শুনি সে আরো দু’একজনের কাছ থেকে দোকান দেখিয়ে টাকা নিয়েছে। এরমধ্যে আমাদের বাড়ির ৩ জন থেকেও টাকা নিয়েছে। তখন বাধ্য হয়ে জমিসহ দোকান ঘর দখল করি। যেন দোকান ঘর দেখিয়ে অন্য কারো কাছ থেকে টাকা না নিতে পারে এমনকি বিক্রি না করতে পারে।

তখনই বাকীর স্ত্রী সুমি আমার বিরুদ্ধে বিভিন্ন জনের কাছে মিথ্যা অভিযোগ দেয় এমনকি থানায় ভিডিও করে। এতে কোন ফল না পেয়ে পরবর্তীতে কোর্টে মামলা দিয়ে আমাকে হয়রানি করছে। এখন আমি নিরুপায়। আমাকে দোকান সহ জমি রেজিস্ট্রি দিচ্ছে না। হয় আমাকে দোকান রেজিস্ট্রি দিবে না হয় আমার টাকা আমাকে ফেরত দিবে। এ ব্যাপারে আমি প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করছি।

অভিযুক্ত সুমি বেগম জানায়, রহিমের সাথে ১শতক জমি বিক্রি বাবত ২০ লাখ টাকা কথা হয়। সে আমাকে ১২ লাখ টাকা ব্যাংকে পরিশোধ করে। এর কিছুদিন পর সন্ত্রাসী নিয়ে ঘরে ডুকে জোর করে ষ্ট্যাম্পে স্বাক্ষর নেয়। এখন তারা সেই ষ্ট্যাম্প দেখিয়ে দোকান দখল নেওয়ার চেষ্টা করে। আমরা আইনের আশ্রয় নিয়েছি। আদালতে ১৪৪ জারি করা হয়েছে।

চন্দ্রগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা জানায়, সুনির্দিষ্ট লিখিত অভিযোগ পেলে আইনানুগ ব্যবস্থ্যা নেওয়া হবে।

     এই বিভাগের আরও সংবাদ